আদালত অবমাননার দায়ে ফেনীর সাবেক জেলা জজ মো. ফিরোজ আলমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ভ্রমণ ও পরিদর্শনের ক্ষেত্রে প্রটোকলব্যবস্থা নিয়ে কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত, যা সার্কুলার আকারে জারি করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইনসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে অক্টোবরে তৎকালীন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম ফেনী যান।
বিষয়টি অবিহিত করার পরও ফেনীর জাজশিপ থেকে কোনো প্রতিনিধি আসেনি বা যোগাযোগও করেননি। এরপর ওই বছরের ২৯ অক্টোবর হাইকোর্ট ফেনীর জেলা জজ মো. ফিরোজ আলমসহ তিনজনের প্রতি আদালত অবমাননার রুল দেন।
এর বিরুদ্ধে ফিরোজ আলম আপিলে আবেদন করেন, যা ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি খারিজ হয়। আদালত অবমাননার রুলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ রায় দেন। অপর দুজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আদালতে ফিরোজ আলমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফয়সাল এস খান ও মইনুদ্দীন। অপর দুজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও মিনহাজুল হক চৌধুরী।
রায়ের বিষয়টি জানিয়ে মিনহাজুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা যদি কোনো জেলা পরিদর্শন বা ভ্রমণে যান, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা আদালত ও জেলার অন্য কর্মকর্তারা কী ধরনের প্রটোকলব্যবস্থা দেবেন, সে বিষয়ে হাইকোর্ট সুনির্দিষ্ট চার দফা নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিচারপতি পৌঁছানোর পর বা তাঁর অবস্থানস্থলে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তা থাকতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে গেলে সে ক্ষেত্রেও আদালতের জাজিং চার্জ নেজারত বা আদালতের স্টাফ থাকতে হবে।
ফেরার সময়ও জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ তাঁকে বিদায় জানাবেন বলা হয়েছে। এই নির্দেশনাগুলো সার্কুলার আকারে জারি করতে রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইনসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ভ্রমণ ও পরিদর্শনের ক্ষেত্রে প্রটোকলব্যবস্থা নিয়ে কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত, যা সার্কুলার আকারে জারি করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইনসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালে অক্টোবরে তৎকালীন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম ফেনী যান।
বিষয়টি অবিহিত করার পরও ফেনীর জাজশিপ থেকে কোনো প্রতিনিধি আসেনি বা যোগাযোগও করেননি। এরপর ওই বছরের ২৯ অক্টোবর হাইকোর্ট ফেনীর জেলা জজ মো. ফিরোজ আলমসহ তিনজনের প্রতি আদালত অবমাননার রুল দেন।
এর বিরুদ্ধে ফিরোজ আলম আপিলে আবেদন করেন, যা ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি খারিজ হয়। আদালত অবমাননার রুলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ রায় দেন। অপর দুজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আদালতে ফিরোজ আলমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফয়সাল এস খান ও মইনুদ্দীন। অপর দুজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও মিনহাজুল হক চৌধুরী।
রায়ের বিষয়টি জানিয়ে মিনহাজুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা যদি কোনো জেলা পরিদর্শন বা ভ্রমণে যান, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা আদালত ও জেলার অন্য কর্মকর্তারা কী ধরনের প্রটোকলব্যবস্থা দেবেন, সে বিষয়ে হাইকোর্ট সুনির্দিষ্ট চার দফা নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিচারপতি পৌঁছানোর পর বা তাঁর অবস্থানস্থলে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তা থাকতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে গেলে সে ক্ষেত্রেও আদালতের জাজিং চার্জ নেজারত বা আদালতের স্টাফ থাকতে হবে।
ফেরার সময়ও জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ তাঁকে বিদায় জানাবেন বলা হয়েছে। এই নির্দেশনাগুলো সার্কুলার আকারে জারি করতে রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইনসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আদালত অবমাননার দায়ে সাবেক জেলা জজের জরিমানা
Reviewed by Shuvo Ahamed
on
February 13, 2019
Rating:
Reviewed by Shuvo Ahamed
on
February 13, 2019
Rating:

No comments: